ইউরিন ইনফেকশন দূর করার ১০ টি উপায়

ইউরিন ইনফেকশন দূর করার ১০ টি উপায় সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে, এই সমস্যার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়। অনেকেই প্রসাবে জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রসাবের চাপ বা তলপেটে ব্যথাকে সাধারণ সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু সময়মত ব্যবস্থা না আনলে সংক্রমণ কিডনি পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। ইউরিন ইনজেকশন দূর করা ১০ টি উপায় সম্পর্কে এই আর্টিকেলে জানব।

ইউরোইন-ইনফেকশন-দূর-করার-10-টি-উপায়

  ইউরিন  ইনফেকশন সাধারণত ছেলে মেয়ে উভয়ের হয়ে থাকে। ইউরিন ইনফেকশন এটি একটি জটিল সমস্যা। বর্তমান সময়ে ইউরিন ইনফেকশন হলে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া। তবে এছাড়াও আরো অনেক উপায় রয়েছে যেগুলো এই আর্টিকেলের ধাপে ধাপে আলোচনা করবো।

পেইজ সূচিপত্রঃ ইউরিন ইনফেকশন দূর করার ১০ টি উপায়

ইউরিন ইনফেকশন দূর করার ১০টি উপায়

ইউরিন ইনফেকশন দূর করার উপায় সম্পর্কে আজকে আর্টিকেলে বিস্তারিত জানব। বর্তমান সময়ে ইউরিন ইনফেকশন একটি কমন রোগ। ইউরিন ইনফেকশন হলে সবার প্রথমে যে কাজটি করতে হবে সেটা হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। দিনে কমপক্ষে হলেও ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে, বা তারও অধিক পানি পান করতে হবে। ইউরিন ইনফেকশনের জন্য আপনি যত পানি পান করবেন তত আপনার উপকার হবে। কারণ আপনি যত পানি পান করবেন তত আপনার প্রসাবে চাপ দিবে। 

ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ দিলে, সাথে সাথে প্রসাব করে ফেললে এর পানির ইউনিয়নের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া শরীর থেকে বের করে ফেলে। ফলে ইনফেকশন দ্রুত কমাতে সাহায্য করে থাকে। প্রসাব আটকে রাখা যাবে না ফলে ইনফেকশন আরো বেড়ে যাবে। অনেকেই একটি ভুল করে থাকেন, ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রসাবের রাস্তায় অনেক জ্বালাপোড়া করে, বা প্রসাব করার সময় অনেক জ্বালাপোড়া করে, অনেকে এই জ্বালাপোড়া করার জন্য প্রসাব না করে প্রসাব আটকে নিয়ে বসে থাকেন। এতে করে ইউরিন ইনফেকশন আরো বেড়ে যায়। 

ইউরুন ইনফেকশন দূর করার জন্য যা যা করতে হবে : প্রতিদিন কম করে হলেও ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন নারকেল বা ডাবের পানি পান করতে হবে। প্রসাবে চাপ দিলে সাথে সাথে প্রস্রাব করে ফেলতে হবে। সবুজ শাকসবজি ফলমূল বেশি করে খেতে হবে। কোমরে ব্যথা হলে গরম পানির শেখ দিতে হবে। প্রসাবের পর কুসুম গরম পানি দিয়ে উক্ত জায়গা পরিষ্কার করতে হবে। ঘন ঘন শরবত খেতে হবে। ভাজাপোড়া চিনি ও মসলা জাতীয় খাবার খাওয়া যাবেনা। মেথির বীজ ভিজানো পানি পান করতে হবে। স্যালাইন খেতে হবে বেশি বেশি। এবং ঘন ঘন লেবুর শরবত খেতে হবে। 

ইউরিন ইনফেকশন কি ও কেন হয় 

ইউরিন ইনফেকশন বলতে মূলত মূত্র নারীদের ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সংক্রমণ হওয়াকে বোঝায়। আচ্ছা সকাল বেলায় বলতে গেলে আমাদের মূত্রনালী চারটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়। এগুলো হচ্ছে কিডনি, ইউরেটার, ব্লাডার এবং ইউরিয়া। কিডনির কাজ আছে শরীরের অতিরিক্ত পানি থেকে প্রসাব তৈরি করা। ইরেটরের কাজ হচ্ছে কিডনি থেকে ব্লাডার পর্যন্ত প্রসাব নিয়ে যাওয়া। ব্লাডারে কাজ হচ্ছে প্রসাব জমা রাখা। ইউরে থার্ড কাজ হচ্ছে শরীর থেকে প্রস্রাব বের করে দেওয়া। এখন এই উপরের কোন একটিতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ করলে সেখানে ইউরিন ইনফেকশন হয়। 

আরো পড়ুনঃ ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার কার্যকরী নিয়ম

ইউরিন ইনফেকশন কেন হয়?  ইউনিফেকশন হয় সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার কারণে। বিশেষ করে Escherichia Coil বা E.coil নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। সাধারণত আমাদের পায়ুপথে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়া কোন কারনে যদি মূত্রনালীতে প্রবেশ করে এবং সেখানে যদি সংক্রমণ সৃষ্টি করে থাকে। তাহলে ইউরিন ইনফেকশন হয়। 

ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করা। এখন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে ঘন ঘন প্রসাবের চাপ আসে ফলে প্রসাব করলে ভেতরে কোন ইনফেকশন থাকেনা। এবং প্রস্তাব আটকে রাখলে ইনফেকশনের মাথা আরো বেড়ে যায়। এছাড়াও ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার আরো কারণ হলো, ব্যবহৃত পোশাক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না থাকা। যৌন মিলনের পর জীবাণু প্রবেশের কারণে। কিডনিতে পাথর বা প্রসাবর প্রবাহে বাঁধা থাকলে। এবং অনেক ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস থাকলেও ইউরিন ইনফেকশন হয়ে থাকে। 

  ইউরিন ইনফেকশন মূলত কাদের বেশি হয়

ইউরিন ইনফেকশন ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই হয়। তবে ইরিন ইনফেকশন মেয়েদের বেশি হয়। কারণ মেয়েদের ইউরেনর্থ্রা বা মূত্রনালী অল্প দূর্গের হাওয়া ব্যাকটেরিয়া সহজে মূত্র তৈরিতে প্রবেশ করে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় প্রসাব চেপে রাখে, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করে না, তাদের। আবার অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক বা পরিষ্কার টয়লেট ব্যবহার করলে নারীদের মধ্যে সংক্রমণ দেখা দেয়। গর্ভবতী নারীদের হরমোনার পরিবর্তনের কারণে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখা দেয়।

এছাড়াও ইউরিন ইনফেকশন নারী-পুরুষ, শিশুর বৃদ্ধা সবার মধ্যে দেখা দেয়। ডায়াবেটিস অনেক ক্ষেত্রে ইনফেকশন দেখা দেয়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য শরীরে অতিরিক্ত গ্লুকোজ ইউরিনে জমে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা ইউরিন ইনফেকশন এর জন্য বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়াও দীর্ঘ সময় বিছানায় শুয়ে থাকা বা প্রসাব ধরে রাখার অভ্যাস থাকলেও ইউনিয়ন ইনফেকশন হয়ে থাকে। এবং শিশুদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত প্রস্রাব এবং টয়লেট ব্যবহার করে অসাবধানতার কারণে ইউনিফেকশন হয়ে থাকে। 

ইউরিন ইনফেকশনের সাধারণ লক্ষণ সমূহ

ইউর ইনফেকশনের সবচেয়ে বড় লক্ষণ হচ্ছে প্রসাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া  বা প্রসাব করার সময় জ্বালাপোড়া করা। আমরা উপরে জেনে এসেছি যে, ইউরিন ইনফেকশন মূলত  মূত্রনালীতে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমনের কারণে হয়ে থাকে। যখন আপনি দেখবেন আপনার প্রসাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া করতেছে, বা প্রসাব করার সময় জ্বালাপোড়া করতেছে, তবে আপনার প্রসাবের রাস্তায় যদি জ্বালাপোড়া করে, আর তখন যদি আপনি শরবত স্যালাইন খাওয়ার পরে জ্বালাপোড়া ভালো হয়ে যায়  তাহলে এটি ইউরিন ইনফেকশন হিসেবে ধরা যাবে না। 

ইউরিন-ইনফেকশন-দূর-করা-১০-উপায়

যখন দেখবেন আপনার প্রসাবের রাস্তায় দীর্ঘদিন ধরে জ্বালাপোড়া হচ্ছে তখন আপনি ধরে নিবেন আপনি ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত আমার একটি লক্ষণ। ইউরিন ইনফেকশন সাধারণ লক্ষণগুলো হলো: প্রসাবের রাস্তায় প্রচুর জ্বালাপোড়া করা, প্রসাব করার সময় প্রসাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া করা। প্রসব করার সময় প্রসাব বের হতে না চাওয়া। এবং প্রসাব করার সময় ব্যথা অনুভব করা। প্রসাবের রং হলদে বাদামি কালার হয়ে যাওয়া। প্রসাবে অত্যন্ত দুর্গন্ধ আসা। 

ঘনঘন প্রসাবে চাপ দেওয়া  বিশেষ করে রাত্রেবেলা। পেট বুক ও কোমরে ব্যথা অনুভব করা। প্রস্রাব করার সময় অতিরিক্ত কষ্ট হওয়া। প্রসাব করার সময় জ্বালাপোড়া ব্যথার কারণে প্রসাব বের হতে না চাওয়া। জ্বর আসা ও শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া। এটি শিশুদের ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। 

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ইউরিন ইনফেকশন থেকে মুক্তির উপায়

 ঘরোয়া পদ্ধতি ইউরিন ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাওয়ার অনেক উপায় রয়েছে।  নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো। প্রথমত হলে প্রসাব চেপে রাখা যাবে না।  প্রসাবের চাপ আসার সাথে সাথেই প্রসাব ত্যাগ করতে হবে।  পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। দিনে অন্তত ৮ থেকে ১০ লিটার পানি পান করতে হবে। অপরিষ্কার এবং অপরিচ্ছন্ন থাকা যাবে না। 

আরো পড়ুনঃ পেটের মেদ কমাতে সবচেয়ে কার্যকরী ১০ টি অভ্যাস

যৌন মিলনের পরে ভালোভাবে লজ্জাস্থান ধুতে হবে। ভাজাপোড়া মসলা জাতীয় খাবার খাওয়া যাবেনা। নিয়মিত নারকেল বা ডাবের পানি পান করতে হবে। ঘন ঘন লেবুর শরবদ ও স্যালাইন খেতে হবে। এবং প্রসাবের পরে গরম পানি ব্যবহার করতে হবে। অপরিষ্কার থাকা যাবে না সবসময় পরিষ্কার থাকতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় পড়তে হবে। 

ইউরিন ইনফেকশন এর প্রতিকারের উপায়

ইউরিন ইনফেকশনের প্রতিকারের উপায় মানে হলো , ইনফেকশন হওয়ার আগে আমাদের এমন কিছু কাজ করতে হবে যা আমাদের সমস্যা থেকে বিরত রাখবে। অনেক কাজে রয়েছে যেগুলো করা থেকে বিরত থাকলে ইউরিন ইনফেকশন থেকে আমরা বেঁচে যাব। নিচে সে উপায় গুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো। 

পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে, দিনে অন্তত আট থেকে দশটা একটু পানি পান করতে হবে। প্রসাবে চারজনের সাথে সাথেই প্রসাব ত্যাগ করতে হবে। ঘনঘন লেবুর শরবত স্যালাইন খেতে হবে। মচলা  জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। পেটে বা কোমরে ব্যথা হলে গরম পানি শাক দিতে হবে। নিয়মিত ডাব ও নারিকেলের পানি পান করতে হবে। প্রতিবার প্রস্রাবের পর গরম পানি দিয়ে প্রসাবের জায়গাটুকু ধুয়ে নিতে হবে। 

ইউরিন ইনফেকশন হলে কোন খাবার খেতে হবে

কিছু কিছু  খাবার রয়েছে যেগুলো গ্রহণ করলে ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে ইনফেকশন থেকে অনেকটা রক্ষা পাওয়া যায়। ইউরিন ইনফেকশন থেকে মুক্তির জন্য প্রথমত সর্বপ্রথম প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে। কারণ আপনি যত বেশি পানি পান করবেন তত আপনার প্রসাবে চাপ দিবে, এবং আপনি প্রসাব করে ফেললে প্রসাবের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে যাবে। এজন্য পর্যাপ্ত পানি পান খাওয়া অত্যন্ত জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ 

এছাড়াও নারকেল বা ডাবের পানি পান করতে হবে নিয়মিত। শরবত স্যালাইন পান করতে হবে। বিশেষ করে লেবুর শরবত খেতে হবে। দুই ও প্রবায়োটিক যুক্ত  খাবার খেতে হবে। সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল বেশি বেশি খেতে হবে। তরল খাবার খেতে হবে বেশি বেশি। মেথি ভেজানো পানি পান করতে হবে। ধনে ভেজানো পানি পান করতে হবে। আপেল শসা তরমুজ এগুলো বেশি বেশি পান করতে হবে। 

ইউরিন ইনফেকশন হলে কোন খাবার খাওয়া যাবে না

অনেক ধরনের খাবার রয়েছে যেগুলো ইউরিন ইনফেকশন হলে খাওয়া যাবে না। খাবারগুলোকে এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ কিছু কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খেলে ইউরিন ইনফেকশন আরো বেড়ে যায়। অনেকে না জেনে সব ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন, ফলে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েও ইউরিন ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। ইউরিন ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য যেসব খাবার খাওয়া যাবেনা তা নিচে তুলে ধরা হলো। 

আরো পড়ুনঃ ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার কার্যকরী নিয়ম

অতিরিক্ত মসলা ও ঝাল যুক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাওয়া যাবেনা। বাইরের জিনিস খাওয়া যাবেনা। বিশেষ করে চিপস্, চানাচুর ইত্যাদি। গরম জাতীয় খাবার যেমন, চা-কফি সফট ড্রিংস ইত্যাদি খাওয়া যাবেনা। অতিরিক্ত কৃত্রিম রংযুক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা। অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার খাওয়া যাবেনা। অতিরিক্ত আইসক্রিম খাওয়া যাবেনা। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা। টক জাতীয় ফল যেমন আনারস কমলা ইত্যাদি খাওয়া যাবেনা। অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা। 

ইউরিন ইনফেকশনের জন্য কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

ইউরিন ইনফেকশন অনেক সময় তীব্রমাত্রায় বেড়ে যায়। যখন ঘরোয়া পদ্ধতিতে ইউরিন ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় গুলো প্রয়োগ করার পরও যখন ইউরিন ইনফেকশন ভালো হয় না। তখন অবশ্যই ভালো চিকিৎসকের কাছে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ ইউরিন ইনফেকশন কে দীর্ঘ মেয়াদে ধরে রাখলে এটি ভবিষ্যতে আরো খারাপ রূপ ধারণ করতে পারে। 

ইউরিন-ইনফেকশন-দূর-করার-১০-টি-উপায়

এজন্য ঘরোয়া পদ্ধতি প্রয়োগ করার পরও যখন ইউরিন ইনফেকশন ভালো হয় না তখন অবশ্যই একজন ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এবং চিকিৎসাকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে। পাশাপাশি যেসব খাবার খাওয়া যাবেনা সেগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। এবং যেসব খাবার খেলে উপকার হবে সেগুলো নিয়মিত খেতে হবে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো নিয়মিত পানি  পান করতে হবে। 

ইউরিন ইনফেকশন হলে কি কি সমস্যা হয়

ইউরিন ইনফেকশন হলে মানুষের শরীরে নানান ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। আর ইউরিন ইনফেকশন হলে মানুষের শরীরে, পেটে ব্যথা হয়। কখনো কখনো পেট কোমর ও পিঠের ব্যথা হয়। কেউ প্রস্রাব করতে অনেক জ্বালাপোড়া হয়। শুধু তাই নয়, এই ইনফেকশনের কারণে মানুষ মানসিকভাবে অনেক ভেঙ্গে পড়ে ও দুর্বল হয়ে পড়ে। 

এবং ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রসাবের রাস্তা জ্বালাপোড়া করে সব সময়। প্রসাব করতে কষ্ট হয় ব্যথা অনুভব হয়। তীব্র প্রসাবে চাপ দেয়, কিন্তু প্রস্রাব করার সময় মনে হয় অনেক প্রস্তাব হবে কিন্তু ব্যথার কারণে প্রসাব বের হতে চাই না। এছাড়া ও ইউরিন ইনফেকশনের ফলে অনেকের রক্ত ভাঙ্গে। এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই ঘনঘন পানি পান করতে হবে।দিনে অন্তত ৮ থেকে ৯ লিটার পানি পান করতে হবে। 

শেষ কথাঃ ইউরিন ইনফেকশন দূর করার ১০ টি উপায়

ইউরিন ইনফেকশন দূর করার উপায় নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আলোচনা থেকে আমরা খুব ভালোভাবে এতটুকু বুঝতে পারলাম যে ইউরিন ইনফেকশন হলে, সেটি দূর করার জন্য অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। আর্টিকেলে আমরা শুধু ইউরিন ইনফেকশন দূর করার উপায় নিয়ে আলোচনা করিনি। বরং ইউরিন ইনফেকশন কি এবং কেন হয় কাদের বেশি হয় এগুলো নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 

আমার মতে, ইউরিন ইনফেকশন দূর করার জন্য এ আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়লে খুব সহজেই ঘরোয়া ভাবে ইউরিন ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। কারণ এই আর্টিকেলে ইউনিয়ন ইনফেকশন দূর করার উপায় গুলো ধাপে ধাপে আলোচনা করা হয়েছে। ধন্যবাদ, এতে সময় আর্টিকেলটি পড়ার জন্য। সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন। 







এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন