ডলার রিসিভ করার জন্য payneer একাউন্ট কিভাবে খুলবো

ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব, এই প্রশ্নটিই বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, ব্লগার এবং অনলাইন উদ্যোক্তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত বিষয়গুলোর একটি। আপনি যদি নিরাপদ ভাবে বিদেশ থেকে ডলার গ্রহণ করতে চান, তাহলে এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এখানে Payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার প্রতিটি ধাপ সহজ ভাষায় বিস্তারিতভাবে দেখানো হয়েছে। 

ডলার-রিসিভ-করার-জন্য-payneer-একাউন্ট-কিভাবে-খুলবো

বিদেশি ক্লায়েন্ট  Fiver, Upwork, ClickBank, Impact, CJ Affiate বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে ডলার গ্রহণ করার জন্য payoneer বর্তমানে একটি অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম। তাই নতুনদের জন্য সঠিক নিয়ম জানা ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ আর্টিকেলে শুধু অ্যাকাউন্ট খোলায় নয়, বরং কোন তথ্য দিলে এখন দ্রুত অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, কিভাবে ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer একাউন্ট খুলব, কি ধরনের ডকুমেন্ট লাগবে এবং কোন ভুল গুলো করলে আবেদন বাতিল হতে পারে - এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

পেইজ সূচিপত্রঃ ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer একাউন্ট কিভাবে খুলব 

ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer একাউন্ট কিভাবে খুলব

ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবো সেটি এখন ধাপে ধাপে জানাবো। ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রথমে আপনার ফোনের ক্রোম ব্রাউজারের গিয়ে সার্চ বক্সে সার্চ করতে হবে (www.payonner.com) তারপর অনেকগুলো ওয়েবসাইট আসবে। সেখান থেকে Payoneer এর সঠিক ও অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। ওয়েবসাইটে হোমপেজে প্রবেশ করার পর "sing up" বা " Register" এ ক্লিক করুন। এই sing up বা Register সাধারণত ওই হোম পেজের ডানদিকে উপরে থাকে। 

তারপর আপনি কেন Payoneer ব্যবহার করবেন এর জন্য আপনার ব্যবহারের উদ্দেশ্য নির্বাচন করুন। তারপর আপনার ব্যবহারের উদ্দেশ্য নির্বাচন করার পর, "I am a" অপশন থেকে "Freelance or Online Professional " নির্বাচন করুন। এটা নির্বাচন কারণ হলো এটি ফ্রিল্যান্সার এবং অনলাইনে যারা কাজ করেন তাদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। তারপর "I want to" অপশন থেকে "Get paid by international Clinents or marketplace " সিলেক্ট করুন। এটি সিলেক্ট করার কারণ হলো এটি নিশ্চিত করবে যে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাকাউন্ট খুলতেছেন। 

তারপর সবকিছু ঠিক থাকলে, "Register" এ ক্লিক করে পরবর্তীতে ধাপে যাবেন। তারপর, আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো পূরণ করতে হবে। ব্যক্তিগত তথ্য পড়ুন : "Get started" এখানে আপনার ব্যক্তিগত এবং মৌলিক সকল ধরনের তথ্যপূরণ করবেন।এরপর আপনার নাম, মানে পুরো নাম দিতে হবে। এরপর আপনার ইমেইল একাউন্ট, যে ইমেইল একাউন্টে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। এবং আপনার জন্ম তারিখ দিতে হবে। একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন, উপরে যে তথ্যগুলো দিবেন এই তথ্যগুলো অবশ্যই  আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (NID) বা আপনার পাসপোর্ট এর সঙ্গে হুবহু মিল রেখে দিতে হবে। কোন তথ্য এগুলোর সাথে না মিললে একাউন্ট ভেরিফিকেশন করতে সমস্যা হবে। এ সকল তথ্য দেওয়ার পর নেক্সট বাটনে ক্লিক করবেন। 

তারপর যোগাযোগ করার তথ্যগুলো দিবেন। লেখা থাকবে যোগাযোগ বিষয়ক তথ্য সরবরাহ : "Content Details" সেখানে ক্লিক করে আপনার বর্তমান অবস্থানের ঠিকানা দিতে হবে। স্থায়ী ঠিকানা চাইলে সেটিও দিতে হবে। তারপর আপনার শহর এবং কোড দিতে হবে। তারপরে সেখানে আপনাকে একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে। যেই মোবাইল নম্বরটা আপনার কাছে সবসময় থাকবে সেটি দিবেন কারণ মোবাইল নম্বরে যাচাই করার কোড পাঠানো হবে। এই ধাপটি শেষে নেক্সট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপরে আপনাকে আপনার নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে। আপনার একাউন্ট নিরাপত্তার জন্য সেখানে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেট করবেন। 

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফরম পূরণের নিয়ম

তারপর একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিবেন। এবং পাসওয়ার্ডটি মনে রাখবেন। তারপর সেখানে একটি সিকিউরিটি প্রশ্ন নির্বাচন করবেন এবং তার উত্তর দিবেন। উপরে যে পাসওয়ার্ড দিলেন ওই পাসওয়ার্ডটা ভুলে গেলে এই প্রশ্নের মাধ্যমে পুনরুদ্ধারের সাহায্য করবে। আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা পাসপোর্ট এর নম্বর দিন। সবকিছু পূরণ করা হয়ে গেলে নেক্সট বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর ব্যাংক একাউন্ট সং যুক্ত করবেন। "Almost Done " এই অংশে। এরপর পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট নির্বাচন করুন, country বাংলাদেশ নির্বাচন করবেন। Currency হিসেবে BDT দিবেন। মানে বাংলাদেশী টাকা। তারপরে আপনার ব্যাংকের নাম, একাউন্টের নাম, (যে নামে ব্যাংক একাউন্ট  খোলা আছে), তারপর একাউন্টের ধরন (Saving/current) ও সঠিক অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিবেন। আপনার ব্যাংকের SWIFT/BIC ওর প্রয়োজন হলে দিবেন। Payoneer এর স্বার্থ (terms and conditions)  এবং (pricing policy) পরে "I Agree" বাটনে ক্লিক করে চিহ্ন দিবেন। উপরে সকল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়ে গেলে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে আবেদন জমা দিবেন। আপনার আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনার তথ্যগুলো পর্যালোচনা করে দেখবে Payoneer কর্তৃপক্ষ। এটি করতে সময় লাগবে দুই এক ঘন্টা। তারপর আপনার আবেদনের অবস্থা সম্পর্কে আপনাকে ইমেলে একটি ইমেল রেজিস্টার হবে।

payoneer একাউন্ট কি?

ডলার রিসিভ করার payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব, এটি জানার আগে জানতে হবে, payoneer অ্যাকাউন্ট কি? Payoneer একাউন্ট হলো, আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট সেবা। যার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নিরাপদে টাকা গ্রহণ, টাকা পাঠানো এবং নিজের ব্যাংক একাউন্টে টাকা উত্তোলন করা যায়। সহজ কথায়, এটি এমন একটি আর্থিক প্ল্যাটফর্ম, যা freelancer, অনলাইন ব্যবসায়ী, ইউটিউবার, ব্লগার, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য আন্তর্জাতিক প্রেমেন্ট গ্রহণের সুবিধা প্রদান করে। 

payoneer একাউন্ট খুলে আপনি বিদেশি ক্লায়েন্টের ডলার বা  আরও কোম্পানি বা বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে ডলারসহ অন্যান্য মুদ্রাই করতে পারবেন। পারে সেই পেমেন্ট নিজের নামে থাকা বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্টে উত্তোলন করতে পারবেন। সহজ ভাবে বলা যায়, payoneer একাউন্ট হলো, বিদেশ থেকে বৈধভাবে ডলার বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক টাকা বা পেমেন্ট গ্রহণ  এবং সেই টাকা নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট একাউন্ট। 

ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer একাউন্টের প্রয়োজনীয়তা 

বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে ইনকামের সুযোগ আগের তুলনায় আরো বেড়ে চলছে। বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ Fiver, Upwork, Freelancer, PeoplePerHour, Topta,Amazon,Esty,Envato,ClickBank,CJ Affiate,Impact,Youtube,ব্লগিং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে নিয়মিত ডলার ইনকাম করছেন। কিন্তু ডলার ইনকাম করলে হবে না, সেই ডলার  নিরাপদ ভাবে গ্রহণ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের পেমেন্ট মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। আর সেই কাজের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হলো payoneer. 

আপনি যদি বিদেশি কোন ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে সরাসরি পেমেন্ট নিতে চান অথবা আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেস থেকে ডলার রিসিভ করতে চান, তাহলে একটি Payoneer অ্যাকাউন্ট থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সরাসরি Payonner একাউন্ট এর মাধ্যমে টাকা প্রদান করে। ফলে দ্রুত, নিরাপদ এবং ঝামেলা মুক্ত ভাবে আপনার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করা সম্ভব হয়। আপনি যখন বিভিন্ন ক্লাইন্ট এবং বাহিরে দেশের কাজ করে থাকেন, তখন কাজ করার পর তারা আপনাকে পেমেন্ট করে এবং সেই প্রেমেন্ট অন্য কোন মাধ্যমে নিতে গেলে, টাকা কাটে। আর payoneer এর মাধ্যমে কোন টাকা কাটে না। এবং খুব সহজেই আপনার প্রাপ্ত টাকা আপনি সহজে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিতে পারেন। অর্থাৎ বিদেশ থেকে ডলার পাওয়ার পর আলাদা কোনো জটিল প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয় না। payoner একাউন্টে টাকা জমা হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সেই টাকা স্থানীয় ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়। ফলে আন্তর্জাতিক প্রেমেন্ট গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়ে যায়। 

নিরাপত্তার দিক দিয়ে, Payoneer একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। ব্যবহারকারী তথ্য এবং লেনদেনের সুরক্ষা রাখতে বিভিন্ন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় এখানে। আপনার পরিচয় যাচাই করা হয়, ভেরিফিকেশন করা হয়, লগ ইন নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সিকিউরিটি যাচাইয়ের মাধ্যমে একাউন্ট সুরক্ষিত রাখা হয়। তাই সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলে প্রতারকের ঝুঁকিতে পরতে হবে না। অনেক আন্তর্জাতিক ফ্রীলান্সার মার্কেটপ্লেস এবং কোম্পানির Payoneer কে সরাসরি প্রেমেন্ট অপশন হিসেবে যুক্ত করেছেন। ফলে আলাদা কোন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে টাকা গ্রহণের প্রয়োজন হয় না। 

আপনার কাজ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে টাকা সরাসরি আপনার payoneer হয়ে যাবে যা আপনার সময় সাশ্রয় করে এবং পেমেন্ট পদ্ধতিকে আরো সহজ করে তোলে। payoneer একাউন্টে সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এটি বিশ্বের বহু দেশ এবং অসংখ্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্য। আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার, ব্লগার ইউটিউবার, এফিলেট মার্কেটের, সফটওয়্যার ডেভেলাপার, গ্রাফিক ডিজাইনার, ডিজিটাল মার্কেটর কিম্বা অনলাইন ব্যবসায়ী হন, তাহলে ইনকাম গ্রহণের জন্য payoneer আপনার অন্যতম নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।  সব শেষ বলা যায়, যারা অনলাইন থেকে নিয়মিত বা দীর্ঘমেয়াদে ডলার ইনকাম করতে চান তাদের জন্য একটি payoneer অ্যাকাউন্ট অত্যন্ত প্রয়োজন। 

payoneer একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে 

payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখলে আবেদন সম্পন্ন করার সময় অনেক সহজ হয়। প্রথমে আপনার নিজের নামে একটি বৈধ ইমেইল ঠিকানা থাকতে হবে। এই ইমেলটি সবসময় ব্যবহারযোগ্য হওয়া উচিত, কারণ payoneer এর সব নোটিফিকেশন ও ভেরিফিকেশন এই ইমেলে পাঠানো হবে। অন্য কারো ইমেইল ঠিকানা payoneer এ দেওয়া যাবে না নিজেরটাই দিতে হবে। 

এর পাশাপাশি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (NID),অথবা বৈধ পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের একটি পরিষ্কার কপি প্রস্তুত রাখুন। নিজের নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে, যেখানে ভবিষ্যতে ডলার থেকে টাকায় পরিণত করবেন। এছাড়াও সচল মোবাইল নাম্বার, সঠিক জন্ম তারিখ এবং ঠিকানার তথ্য প্রয়োজন হবে। সব তথ্য অবশ্যই সরকারি কাগজপত্র সঙ্গে মিল থাকতে হবে। কারণ পরবর্তীতে ভেরিফিকেশনের সময় কোন কাগজপত্র না থাকলে আবেদন আটকে যেতে পারে। 

ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer একাউন্ট কেন খুলব

ডালার রিসিভ করার জন্য payoneer একাউন্ট কিভাবে খুলবো, এটি জানার আগে আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে কেন payonner অ্যাকাউন্ট এত জনপ্রিয়। বর্তমানে বিশ্বের হাজার হাজার কোম্পানি এবং ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সরাসরি payoneer এর মাধ্যমে টাকা প্রদান করে। ফলে ব্যাংকের তুলনায় দ্রুত, সহজ এবং নিরাপদ ভাবে আন্তজাতিক পেমেন্ট গ্রহণ করা যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার, ইউটিউবার, ব্লগার এবং অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য এটি একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান। 

ডলার-রিসিভ-করার-জন্য-payneer-একাউন্ট-কিভাবে-খুলবো

payoneer ব্যবহার করলে আপনি বিভিন্ন দেশের ক্লাইন্ট এর কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন খুব সহজেই। এবং প্রয়োজন হলে সে টাকা নিজের স্থানীয় ব্যাংক একাউন্টে থেকে উঠাতে পারবেন। অনেক আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে payoneer সরাসরি যুক্ত করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ায় আপনার অ্যাকাউন্ট ও লেনদেন তুলনামূলক সুরক্ষিত থাকবে। তাই যারা দীর্ঘমেয়াদে অনলাইন থেকে ডলার ইনকামের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য payoneer অ্যাকাউন্ট থাকা অবশ্যই অপরিহার্য। 

ডলার রিসিভ করার পর Payoneer একাউন্ট থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি

payoneer একাউন্টে ডলার রিসিভ করার পর সেই ডলার নিজের ব্যাংক একাউন্টে উত্তোলন করা খুবই সহজ। তবে টাকা তোলার আগে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার payoneer অ্যাকাউন্ট সম্পন্ন ভেরিফিকেশন হয়েছে কিনা। এবং আপনার নিজের নামে থাকা একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সফলভাবে যুক্ত করা হয়েছে কিনা। ব্যাংক একাউন্টের নাম, একাউন্টের নম্বর এবং অন্যান্য তথ্য অবশ্যই payonner একাউন্টের তথ্যের সঙ্গে মিল থাকতে হবে। তথ্যের মধ্যে অমিল থাকলে টাকা উত্তোলনের অনুরোধ বাতিল হতে পারে অথবা অতিরিক্ত ভেরিফিকেশন লাগতে পারে। 

আরো পড়ুনঃ ChatGPT দিয়ে অনলাইনে আয় করার উপায় ২০২৬

payoneer একাউন্ট থেকে টাকা তোলার জন্য প্রথমে আপনার payoneer একাউন্টে লগইন করবেন।লগইন করার পর আপনার বর্তমান ব্যালেন্স দেখতে পারবেন। যদি আপনার একাউন্টে ডলার জমা হয়ে থাকে তাহলে withdrow, বা withdrow to Bank অপশনটি নির্বাচন করবেন। এরপর যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি আগে যুক্ত করেছেন, সেটি নির্বাচন করবেন। যদি ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত থাকে, এবং  সেটিতে টাকা নিতে চান তাহলে সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি বেছে নিন। 

এরপর কত টাকা উত্তোলন করতে চান সেই পরিমাণ লিখন। payoneer  আপনার উত্তরের পরিমাণ এবং প্রয়োজন ফ্রী দেখিয়ে দেয়। সব তথ্য ভালোভাবে দেখে নিশ্চিত হওয়ার পর Review অথবা Confirm বাটনে ক্লিক করবেন। আপনার অনুরোধ সফলভাবে জমা হলে একটি নিশ্চিতকরণ মেসেজ দেখতে পাবেন। এবং একই সঙ্গে আপনার ইমেলে একটি নোটিফিকেশন পাঠানো হবে। টাকা উঠানোর জন্য অনুরোধ করার পর payoneer সেটি প্রক্রিয়াকরণ শুরু করে। কয়েক কার্য দিবসের মধ্যে টাকা আপনার যুক্ত করা বাংলাদেশে ব্যাংক একাউন্টে জমা হয়। 

তবে সাপ্তাহিক ছুটি, সরকারি ছুটি, ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অথবা অতিরিক্ত ছুটি এর কারণে কিছু ক্ষেত্রে সময় একটু বেশি লাগতে পারে। তাই অনুরোধ করার পর ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন এবং প্রয়োজনে (payoneer) ড্যাশবোর্ডের ট্রানজেকশন অবস্থা (status) দেখে নিন। টাকা উঠানোর সময় কিছু বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা জরুরি। যদি টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংক একাউন্টে না পৌঁছায়, তাহলে payoneer একাউন্টে লগইন করে ট্রানজেকশনের স্ট্যাটাস দেখুন। সেখানে যদি লেনদেন সম্পূর্ণ (complete)  দেখায়, তাহলে আপনার ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 

আর যদি payoneer এর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কোন ডকুমেন্ট বা তথ্য চাওয়া হয়, তাহলে দ্রুত তা প্রদান করুন। প্রয়োজন হলে payoneer এর অফিসিয়াল কাস্টমার সাপোর্ট এর সহায়তা নিন। সব শেষ বলা যায়, payoneer থেকে ব্যাংকে টাকা উত্তোলন পুরো প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ, যদি শুরু থেকে সঠিক তথ্য জমা দিয়ে একাউন্ট তৈরি করা হয় এবং ব্যাংক একাউন্ট সঠিকভাবে যুক্ত করা হয়। প্রতিটি ধাপ সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করলে আপনি নিরাপদে বিদেশ থেকে প্রাপ্ত ডলার নিজের ব্যাংক একাউন্টে গ্রহণ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় সেই টাকা সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। 

payoneer ওয়েবসাইটে নতুন একাউন্ট তৈরি

এখন আসল ধাপে আসা যাক। ডলার রিসিভ করার payoneer একাউন্ট কিভাবে খুলব, এর প্রধান কাজ হলো অফিসিয়াল payoneer ওয়েব সাইটে গিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট এর জন্য আবেদন করা। সব সময় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করবেন। তৃতীয় পক্ষের কোন ওয়েবসাইট বা সন্দেহজনক লিংক ব্যবহার করবেন না। কারণ এতে প্রতারণার ঝুঁকি থাকতে পারে। 

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর sing up অথবা Register বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হবে আপনি কি উদ্দেশ্যে payoneer ব্যবহার করতে চান। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, youtube, ব্লগিং অথবা বিদেশি ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ  করতে চান, তাহলে সেই অনুযায়ী উপযুক্ত অপশন নির্বাচন করুন। ভুল অপশন নির্বাচন করলে পরে তথ্য পরিবর্তন করতে সমস্যা হতে পারে। 

এরপর আপনার প্রথম নাম (First name)  এবং শেষ নাম (last name) লিখতে হবে। এখানে অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র বা পাসপোর্টে যেভাবে নাম লেখা আছে, ঠিক একই ভাবে লিখবেন। কোন ডাক নাম,লিখবেন না , অথবা একটা স্পেস বা অপ্রয়োজনে শব্দ ব্যবহার করবেন না। এরপর আপনার জন্ম তারিখ নির্বাচন করুন এবং একটি শুক্রিয় ই-মেইল ঠিকানা লিখুন। যে ইমেইল ঠিকানা সব সময় আপনার কাছে থাকে এবং সচল। এই ইমেইলে payoneer একাউন্টের সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ ও ওটিপি আসবে। 

এরপর নিজের মোবাইল নাম্বার লিখুন। বাংলাদেশ নম্বর ব্যবহার করলে দেশের কোড (+088) সঠিকভাবে নির্বাচন করুন। অবশ্যই নাম্বারটি সচল হতে হবে, কারণ প্রয়োজনে নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য এই নাম্বারে কোড পাঠানো হতে পারে। সব তথ্য পূরণ করার পর Next বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে চলে যান। এখন আপনাকে নিজের বাসার সম্পূর্ণ ঠিকানা লিখতে হবে। জেলা, বিভাগ, পোস্ট কোড এবং দেশের নাম সঠিকভাবে নির্বাচন করুন। অনেকে এখানে সংক্ষিপ্ত ঠিকানা লেখে ভুল করেন। এমন ঠিকানা লিখবেন যা আপনার ব্যাংক তথ্য এবং পরিচয় পত্রের সঙ্গে একেবারে মিল রয়েছে। এটা ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হবে না। 

এরপর একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি। পাসওয়ার্ডে বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করলে নিরাপত্তা আরও বেড়ে যায়। একাই পাসওয়ার্ড অন্য কোন ওয়েবসাইটে ব্যবহার না করাই ভালো। নিরাপদ স্থানে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করুন, যাতে পরে লগইন করতে কোন অসুবিধা না হয়। বা পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়ার কোন ভয় না থাকে। 

payoneer একাউন্টে ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করার নিয়ম

payoneer অ্যাকাউন্ট অনুমোদনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো নিজের নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করা। এই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আপনি বিদেশ থেকে  ডলার বাংলাদেশি টাকাই তুলতে পারবেন। তাই যে ব্যাংক একাউন্টে যুক্ত করবেন, সেটি অবশ্য আপনার নিজের নামে হতে হবে। অন্য কারো নামে থাকা ব্যাংক একাউন্টে ব্যবহার করে ভেরিফিকেশন এর টাকা উত্তোলনের সময় সমস্যা হতে পারে। 

ব্যাংক তথ্য যোগ করার সময় প্রথমে ব্যাংকের নাম যোগ করুন। এরপর অ্যাকাউন্ট নম্বর, অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের নাম এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য লিখুন। একাউন্ট নম্বর লেখার সময় একাধিক বার মিলিয়ে দেখুন। একটি সংখ্যা ভুল হলেও টাকা ভুল একাউন্টে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে অথবা লেনদেন ব্যর্থ হতে পারে। বাংলাদেশের অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট payoneer এর সঙ্গে যুক্ত করা যায়। তবে আপনার ব্যাংক একাউন্টে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স গ্রহণের উপযোগী কিনা, তা আগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো। 

যদি কোন তথ্য সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, তাহলে আপনার ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করে জেনে নিন। এতে ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে। ব্যাংক একাউন্ট যোগ করার পর payneer সেটি যাচাই করতে কিছু সময় নিতে পারে। এই সময় ধৈর্য ধরুন এবং বারবার তথ্য পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না। যদি অতিরিক্ত কোন ডকুমেন্ট চাওয়া হয়, তাহলে পরিষ্কার অবৈধ কপি আপলোড করুন। সাধারণত সঠিক তথ্য দিলে যাচাই প্রক্রিয়ার সহজে সম্পন্ন হয়। 

payoneer একাউন্টে ডলার রিসিভ করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি

ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer এখন কিভাবে খুলবো জানার পর পরবর্তী ধাপ হলো সেই একাউন্টে কিভাবে ডলার গ্রহণ করবেন। প্রথমে নিশ্চিত করুন যে আপনার payoneer একাউন্টে সম্পূর্ণ ভেরিফাই হয়েছে। এরপর যে কোম্পানি, মার্কেটপ্লেস বা ক্লায়েন্ট থেকে আপনি পেমেন্ট পাবেন, তাদের কাছে আপনার  payoneer পেমেন্ট তথ্য প্রদান করুন। 

যদি আপনি Fiver, Upwork, Freelancer, ClickBank, CJ Afflicate, Impact অথবা অন্য কোন আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে কাজ করেন, তাহলে তাদের প্রেমেন্ট সেটিং থেকে payoneer নির্বাচন করতে পারবেন। পেমেন্ট পাঠানোর পর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টাকা আপনার payoneer ব্যালেন্সে যোগ হবে। এরপর সেই টাকা নিজের যুক্ত করা বাংলাদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢুকানোর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন। 

একাউন্টের অনুমতি পেতে কত সময় লাগে

payoneer একাউন্টের আবেদন জমা দেওয়ার পর অনেকেরই মনে প্রশ্ন আসে, অনুমতি পেতে কত সময় লাগে একাউন্টের অনুমতি দিতে কত সময়  লাগে? সাধারণত যদি আপনার দেওয়া সব তথ্য এবং ডকুমেন্ট সঠিক থাকে, তাহলে কয়েক কার্য দিবসের মধ্যে আবেদন পর্যালোচনা করা হয়। তবে অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। অনুমোদনের সময়সীমা নির্ভর করে আপনার তথ্য কথাটা সঠিক তার উপর। আপনি যে সকল ডকুমেন্ট দিয়েছেন সে সকল ডকুমেন্ট এর মান এবং payoneer এর বর্তমান যাচাই প্রক্রিয়ার উপর। 

তাই আবেদন করার পর বারবার নতুন তথ্য পরিবর্তন না করে, ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। আপনার ইমেইল নিয়মিত চেক করুন, কারণ প্রয়োজন হলে payoneer আপনার ইমেইলে মেসেজ বা ওটিপি পাঠাবে। একাউন্ট অনুমোদিত হলে আপনি ইমেইলের মাধ্যমে নিশ্চিত করুন মেসেজ পাবেন। এরপর লগইন করে আপনার ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করতে পারবেন। 

ডলার-রিসিভ-করার-জন্য-payneer-একাউন্ট-কিভাবে-খুলবো

এবং প্রয়োজনে ব্যাংক একাউন্ট, পেমেন্ট সেটিং ও অন্যান্য অপশন ব্যবহার করতে পারবেন। যদি দীর্ঘ সময় কোন আপডেট না পান, তাহলে payoneer এর অফিসিয়াল সাপোর্ট সেন্টার এর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। মনে রাখবেন, ভুল তথ্য, ভুয়া ডকুমেন্ট বা অন্যের পরিচয় ব্যবহার করলে একাউন্টের অনুমতির নাও দিতে পারে। তাই শুরু থেকে সঠিক তথ্য ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। 

নতুন বয়বহারকারীর সাধারণ ভুল ও সমাধান

ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব, এই বিষয়টি জানার সময় অনেক নতুন ব্যবহারকারী কিছু সাধারণ ভুল করে থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ভুল হলো ভুল নাম, ভুল জন্মতারিখ অথবা অন্যের নামে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা। payoneer একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় প্রতি তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করে। তাই আবেদন করার সময় আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র (NID), পাসপোর্ট বানানো সরকারি ডকুমেন্টে যে তথ্য রয়েছে, ঠিক সেই তথ্য ব্যবহার করুন। বানানে সামান্য অমিল থাকলেও ভেরিফিকেশনের সমস্যা হতে পারে। 

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করা সম্পূর্ণ গাইড

আরেকটি সাধারণ ভুল হলো একাধিক payoneer একাউন্ট খোলার চেষ্টা করা। একজন ব্যক্তির জন্য সাধারণত একটি payoneer একাউন্টই যথেষ্ট। একই ব্যক্তির নামে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ (Restricted) হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়াও অনেকেই অচেনা ওয়েব সাইটে লগইন করেন অথবা ইমেইলে বা ভুয়া লিংকে পেয়ে ক্লিক করেন। এতে প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সব সময় অফিসিয়াল payoneer ওয়েবসাইট থেকে লগইন করুন এবং নিজের পাসওয়ার্ড বা ওটিপি কখনোই অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করবেন না। 

যদি ভেরিফিকেশনের জন্য অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাওয়া হয়, তাহলে আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। payoneer এর নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষ্কার বৈধ ডকুমেন্ট আপলোড করুন। কোন ডকুমেন্ট এডিট করে বা তথ্য পরিবর্তন করে আপলোড করবেন না এতে আবেদন বাতিল হতে পারে। আবেদন করার পর নিয়মিত আপনার ইমেইল চেক করুন, কারণ প্রয়োজনীয় আপডেট বা নির্দেশনা ইমেইলে পাঠানো হয়। 

সর্বশেষ মনে রাখবেন, payoneer শুধুমাত্র বৈধ ব্যবসা, ফ্রিল্যান্সিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-কমার্স এবং আন্তর্জাতিক প্রেমেন্ট গ্রহণের জন্য ব্যবহার করুটার কিংবা অনলাইন  উদ্যোক্তাদের জন্য  payoneer অ্যাকাউন্ট খোলা শিখা একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় তাড়াহুড়ো না করে প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন এবং, শুধুমাত্র নিজের আসল তথ্য ব্যবহার করুন। এতে ভবিষ্যতে ভেরিফিকেশন, পেমেন্ট গ্রহণ এবং ব্যাংকে টাকা আমার কোন অপ্রয়োজনে জটিলতায় পড়তে হবে না। এ আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনি নিজেই খুব সহজেই ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। 

শেষ কথাঃ ডলার রিসিভ করার জন্য Payneer একাউন্ট কিভাবে খুলব 

ডলার রিসিভ করার জন্য payneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবো, এই সম্পর্কে এই আর্টিকেলের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার প্রতিটি ধাপ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কি কি ডকুমেন্ট লাগবে, কিভাবে একাউন্টটা খুলবেন, কিভাবে ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করবেন, কিভাবে ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করবেন, কিভাবে পরিচয় জাতায় সম্পন্ন করবেন এবং কিভাবে বিদেশ থেকে ডলার গ্রহণ করবেন। সব বিষয় ধাপে ধাপে তুলে ধরা হয়েছে এই আর্টিকেলে। আপনি যদি এই প্রক্রিয়া গুলো ফলো করেন এবং সব তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করেন, তাহলে নিজেই সহজে একটি payoneer অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। এবং আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্ট বা বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে নিরাপদে ডলার গ্রহণ করতে পারবেন। 

ডলার রিসিভ করার জন্য payoneer একাউন্ট কিভাবে খুলবো, আমার মতে, নতুন ফ্রিল্যান্সার, ব্লগার, ইউটিউবার, affiliate marketer, আর অনলাইন উদ্বেগ তাদের জন্য  payoneer একাউন্ট খোলা শিখা একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় তাড়াহুড়া না করে প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন। এবং শুধু মাত্র নিজের আসল তথ্য ব্যবহার করুন। এতে ভবিষ্যতে ভেরিফিকেশন, পেমেন্ট গ্রহণ এবং ব্যাংকে টাকা উত্তোলনের সময় কোন অপ্রয়োজনীয় জটিলতায় পড়তে হবে না। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে payoneer আন্তর্জাতিক প্রেমেন্ট গ্রহণের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য উপায়। 




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন